নিরাপদ খাদ্য ও শিশুপুষ্টি নিশ্চিতকরণে অংশীজনদের ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ :
Aug 14, 2026 ইং
-
পঠিত: ৭ বার
নিরাপদ খাদ্য ও শিশুপুষ্টি নিশ্চিতকরণে বহুখাতভিত্তিক অংশীজনদের সাথে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর আয়োজনে এনাফ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কর্ণফুলী এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগাম ম্যানেজার জনি রোজারিও।
নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি ও পোলট্র সায়েন্স বিভাগের এবং পোলট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার, চট্টগ্রামের পরিচালক ড.এ.কে.এম.হুমায়ুন কবির।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডেপুটি ডিরেক্টর (স্বাস্থ্য) কামরুল আজাদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম,মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ পরিচালক আতিয়া চৌধুরী, চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ সৌনম বড়ুয়া, চসিকের স্বাস্হ্য কর্মকর্তা ডাঃ তপন কুমার চক্রবর্তী।
এনজিও প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আলী সিকদার, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভিন, ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রোগাম ম্যানেজার পিযুশ দাশ গুপ্ত, অপরাজেয় বাংলাদেশের ইনচার্জ জিন্নাত আরা বেগম, সিডিসির নির্বাহী পরিচালক লুৎফুন্নেসক রুপসা। ছাড়াও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডেনিস তপ্ন, রীতা দোলন রোজারিও,শারমিন আক্তার, রিপা চাকমা, পায়েল খ্রীস্টিনা দাশ এবং স্মীতা দে।
ওয়ার্ল্ড ভিশনের বৈশ্বিক প্রচারাভিযান ENOUGH শিশুর খাদ্য অনিশ্চয়তা ও অপুষ্টি দূরীকরণে একটি সম্মিলিত উদ্যোগ। এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে দান বা পৃষ্ঠপোষকতার মধ্যে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিষ্ট নীতি ও ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং টেকসই পরিবর্তনে উদ্যোগী হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ENOUGH ক্যাম্পেইনের মূল স্বপ্ন হলো—বাংলাদেশের ০–১৮ বছর বয়সী সকল শিশু পর্যাপ্ত, পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবার এবং খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যে বেড়ে উঠবে।
আলোচনায় বক্তাগন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২ ‘জিরো হাঙ্গার’ অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির উন্নয়ন এবং টেকসই কৃষির প্রসারের পাশাপাশি নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের সর্বজনীন অভিগম্যতা, সব ধরনের অপুষ্টির অবসান এবং গ্রামীণ অবকাঠামো, কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তি ও জিন ব্যাংকে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলেন।
ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য হলো সকল স্তরে খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি, শিশুর পুষ্টির অবস্থার উন্নয়ন এবং কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি। এ লক্ষ্যে টেকসই কৃষি প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ, স্কুল মিল প্রোগ্রাম, কমিউনিটি পর্যায়ে পুষ্টি কর্মশালা, রেফারেল লিঙ্কেজ এবং খাদ্য বিতরণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার মতো কার্যক্রম ও উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আলোচনার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিটি শিশুর জন্য পুষ্টিকর খাদ্য ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Utfal Barua
কমেন্ট বক্স