তিনি আরও যোগ করেন যে ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল ভিত্তি। তবে, দোনবাস অঞ্চলের মতো আঞ্চলিক বিষয়গুলো এখনও একটি "খুব কঠিন প্রশ্ন" হিসেবে রয়ে গেছে বলে উভয় নেতাই স্বীকার করেছেন।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আলোচনাকে "খুবই ফলপ্রসূ" বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান যে জেলেনস্কির সাথে বৈঠকের আগে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথেও ফোনে কথা বলেছেন। ট্রাম্প পুতিনকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে একটি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এই শান্তি আলোচনার মধ্যেই রাশিয়া কিয়েভে নতুন করে আক্রমণ চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জেলেনস্কি ইউক্রেনের মিত্রদের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন।
তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত জরুরি।
জানা গেছে, এই ২০ দফা পরিকল্পনার খসড়াটি বর্তমানে ক্রেমলিনের পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তবে মস্কো এখনও তার আঞ্চলিক দাবি থেকে সরে আসার কোনো লক্ষণ দেখায়নি। রাশিয়া চায় ইউক্রেন দোনবাসের অবশিষ্ট অংশ তাদের হাতে তুলে দিক, যা কিয়েভ প্রত্যাখ্যান করেছে। জেলেনস্কির পাল্টা প্রস্তাবে একটি অসামরিক অঞ্চল তৈরির কথা বলা হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষই বর্তমান অবস্থান থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা তদারকি করবেন।
ট্রাম্প এবং জেলেনস্কির এই বৈঠক প্রায় আড়াই ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, তিনি ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড, নরওয়ে, ইতালি, যুক্তরাজ্য এবং জার্মানির নেতাদের সাথেও কথা বলেছেন। ন্যাটো এবং ইউরোপীয় কমিশনের সাথেও আলোচনা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আগামী জানুয়ারিতে ওয়াশিংটনে জেলেনস্কি এবং অন্যান্য ইউরোপীয় নেতাদের নিয়ে একটি বৃহত্তর বৈঠকের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই শান্তি উদ্যোগের মূলে রয়েছে ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা। যদিও ৯০ শতাংশ বিষয়ে ঐক্যমত্য একটি বড় অগ্রগতি, বাকি ১০ শতাংশ, বিশেষ করে আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণের মতো জটিল বিষয়গুলোর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠা একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে আগামী জানুয়ারির বৈঠকের দিকে, যেখানে এই শান্তি পরিকল্পনার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে পারে।
এই শান্তি উদ্যোগের মূলে রয়েছে ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা। যদিও ৯০ শতাংশ বিষয়ে ঐক্যমত্য একটি বড় অগ্রগতি, বাকি ১০ শতাংশ, বিশেষ করে আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণের মতো জটিল বিষয়গুলোর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠা একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে আগামী জানুয়ারির বৈঠকের দিকে, যেখানে এই শান্তি পরিকল্পনার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে পারে।
দৈনিক ইনফো বাংলা