ক্যারিয়ারের সেরা সময় পেছনে ফেলে এসেছেন বেশ আগেই। বছরখানেক ধরে জাতীয় দলের বাইরে আছেন। বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনাও তেমন নেই। তাই, সবকিছু ভেবেচিন্তে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিলেন কাইল ওয়াকার।
ইনস্টাগ্রামে মঙ্গলবার দেওয়া পোস্টে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দেন ৩৫ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার।
জাতীয় দলের হয়ে ২০১১ সালের নভেম্বরে অভিষেক হয় ওয়াকারের। স্পেনের বিপক্ষে ওই প্রীতি ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে খেলেন পাঁচ মিনিট। তিন দিন পরের ম্যাচেই সুইডেনের বিপক্ষে পুরোটা সময় খেলেন এই গতিময় রাইট-ব্যাক।
পরের দেড় বছর কিছুটা আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকলেও, এরপর দলে জায়গা পাকা করে ফেলেন ওয়াকার।
জাতীয় দলের হয়ে মোট ৯৬টি ম্যাচ খেলেছেন ওয়াকার। পাঁচটি বড় টুর্নামেন্টে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি; ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে এবং ২০১৬, ২০২১ ও ২০২৪ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে।
ইংল্যান্ডের সাবেক কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন ওয়াকার। ২০২১ ও ২০২৪ ইউরোয় দলের ফাইনালে ওঠায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন তিনি। যদিও দুইটি ফাইনালেই হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় ইংল্যান্ডের।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ওয়াকার শেষ ম্যাচ খেলেছেন গত বছরের জুনে, সেনেগালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। তার ভাষায়, জাতীয় দলের হয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সময়টা ছিল নানা ঘটনায় পরিপূর্ণ।
“দেশকে এক দশকেরও বেশি সময় প্রতিনিধিত্ব করার পর, আমি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইংল্যান্ডের হয়ে খেলা সবসময়ই আমার ক্যারিয়ারের জন্য ছিল সবচেয়ে বড় সম্মানের এবং এর জন্য আমি সবসময় গর্ববোধ করব।”
“ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে সব স্মৃতি সারাজীবন আমার হৃদয়ে থাকবে।”
ক্লাব ফুটবেলে ওয়াকার সেরা সময় কাটিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটিতে, সেখানে খেলেছেন ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। দলটির হয়ে ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ ও একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ অনেক শিরোপা জিতেছেন তিনি।
২০২৪-২৫ মৌসুমের শেষের পাঁচ মাস এসি মিলানে ধারে খেলার পর, গত বছরের জুলাইয়ে বার্নলিতে যোগ দেন তিনি।
এছাড়া শেফিল্ড ইউনাইটেড ও টটেনহ্যাম হটস্পারসহ আরও কয়েকটি দলে খেলেছেন ওয়াকার।
নিউজটি আপডেট করেছেন : দৈনিক ইনফো বাংলা
দৈনিক ইনফো বাংলা