শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে কুরআন খতম, দোয়া ও মেজবান অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় "পবিত্র কুরআন খতম, মিলাদ, দোয়া ও মেজবানি" অনুষ্ঠান নগরীর বার্মা কলোনী জহুর আহম্মেদ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মিলাদ ও দোয়া শেষে গণমাধ্যমে সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, “আজীবন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই চলতে চাই। তাঁর আদর্শকে বুকে ধারণ করে মানুষের জন্য ত্যাগের রাজনীতি করে যেতে চাই। যেখানে শুধু আত্মত্যাগ, সংযম ও শৃঙ্খলা ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। আগামীতেও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই।”
তিনি বলেন, প্রতি বছরই জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করেন। এবার বড় পরিসরে দোয়া, মিলাদ মাহফিল, খতমে কোরআন ও মেজবানের আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক অবদানের কথা তুলে ধরে সাইফ বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের কঠিন সময়ে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছিলেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে তিনি দেশকে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, “বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান। খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, কৃষি ও রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশে তাঁর অবদান ছিল অনন্য। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা দেশকে বহু কিছু এনে দিয়েছে।”
অনুষ্ঠানে পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা মো. শাহীন বলেন, “শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে লালন করেই আমাদের রাজনীতি করতে হবে। তিনি শুধু একটি দলের প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং জাতীয়তাবাদের ধারক এবং এ দেশের জন্য স্বপ্ন দেখা একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। তাঁর চিন্তা-চেতনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাংলাদেশ।”
তিনি বলেন, “আমাদের প্রেরণার বাতিঘর তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।”
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ৭নং পশ্চিম ষোলশহর, ৮নং শোলকবহর ওয়ার্ড ও ৪৩নং আমিন শিল্পাঞ্চল সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল, ছাত্রদল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।
খতমে কোরআন শেষে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
দোয়া পরবর্তীতে মেজবান অনুষ্ঠানে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের প্রায় নয়শত মানুষ অংশগ্রহণ করেন।