ঢাকা | বঙ্গাব্দ
Netfie
N
মাত্র ৮,৫০০ টাকায় Website থেকে App তৈরি করুন
✓ Play Store Publish Android App Push Notification
যোগাযোগ করুন → 01884-189495

আজ বিশ্ব চা দিবস। বিশ্বজুড়ে চা উৎপাদন ও এর সঙ্গে জড়িত পেছনের মানুষগুলোর গুরুত্বও অপরিসীম

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 21, 2026 ইং
  • পঠিত: ৩৬৯ বার
Overlay/Verification

আজ ২১ মে বিশ্ব চা দিবস। তাই বলা যায়, আজকের দিনটি চা প্রেমীদের দিন। তারা চাইলে আজকের দিনটি উদযাপনে একত্রিত হতে পারেন, কিংবা মেতে উঠতে পারেন চা আড্ডায়।

এই চায়ের পেছনে আছে শত বছরের ইতিহাস, বাণিজ্য, আন্দোলন, সংস্কৃতি, এমনকি রাজনীতি পর্যন্ত! বুধবার (২১ মে) বিশ্ব চা দিবস এমন একটি দিন যেটা শুধু চায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে চা উৎপাদন ও এর সঙ্গে জড়িত পেছনের মানুষগুলোর গুরুত্বও অপরিসীম।

চায়ের ইতিহাস: হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য: চায়ের ইতিহাস শুরু চীনে, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে। কিংবদন্তি অনুসারে, খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩৭ সালে চীনা সম্রাট শেন নাংয়ের পানির পাত্রে একটি চা গাছের পাতা পড়ে, আর সেখান থেকেই চা আবিষ্কৃত হয়। পরে এই পানীয় ছড়িয়ে পড়ে জাপান, কোরিয়া, ভারত ও ইউরোপে।

১৬০০ শতকে ব্রিটিশদের হাত ধরে চা পৌঁছে যায় ইউরোপে। ব্রিটিশরা ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বিশাল চা বাগান তৈরি করে। বাংলাদেশেও বৃটিশ শাসনামলেই চায়ের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়, বিশেষ করে ১৮৫৭ সালে মালনীছড়া চা বাগান দিয়ে।

বিশ্ব চা দিবস: কীভাবে শুরু হলো? বিশ্ব চা দিবস প্রথম চালু হয় ২০০৫ সালে, দক্ষিণ এশিয়ার চা উৎপাদনকারী দেশগুলোর উদ্যোগে। তখন দিবসটি পালিত হতো ১৫ ডিসেম্বর, ভারতের দিল্লিতে প্রথম উদযাপন হয়। পরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ২০১৯ সালে ২১ মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক World Tea Day হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য

• চা উৎপাদনে নিয়োজিত শ্রমিকদের অধিকার ও অবদানের স্বীকৃতি

• চা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন

• আন্তর্জাতিকভাবে ন্যায্য মূল্যের গুরুত্ব তুলে ধরা

• চা খাতের পরিবেশবান্ধব ও অর্থনৈতিক অবদান তুলে ধরা

বাংলাদেশ ও চা: এক অমলিন সম্পর্ক

বাংলাদেশ চা উৎপাদনে বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম ও পঞ্চগড় অঞ্চলে বিস্তীর্ণ চা-বাগান রয়েছে। দেশে প্রায় ১ লাখের বেশি শ্রমিক এই শিল্পের সাথে সরাসরি জড়িত, যাদের বেশিরভাগই নারী।

১৬০০ শতকে ব্রিটিশদের হাত ধরে চা পৌঁছে যায় ইউরোপে। ব্রিটিশরা ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বিশাল চা বাগান তৈরি করে। বাংলাদেশেও বৃটিশ শাসনামলেই চায়ের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়, বিশেষ করে ১৮৫৭ সালে মালনীছড়া চা বাগান দিয়ে।

বিশ্ব চা দিবস: কীভাবে শুরু হলো?

বিশ্ব চা দিবস প্রথম চালু হয় ২০০৫ সালে, দক্ষিণ এশিয়ার চা উৎপাদনকারী দেশগুলোর উদ্যোগে। তখন দিবসটি পালিত হতো ১৫ ডিসেম্বর, ভারতের দিল্লিতে প্রথম উদযাপন হয়। পরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ২০১৯ সালে ২১ মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক World Tea Day হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য

• চা উৎপাদনে নিয়োজিত শ্রমিকদের অধিকার ও অবদানের স্বীকৃতি

• চা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন

• আন্তর্জাতিকভাবে ন্যায্য মূল্যের গুরুত্ব তুলে ধরা

• চা খাতের পরিবেশবান্ধব ও অর্থনৈতিক অবদান তুলে ধরা

বাংলাদেশ ও চা: এক অমলিন সম্পর্ক

বাংলাদেশ চা উৎপাদনে বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম ও পঞ্চগড় অঞ্চলে বিস্তীর্ণ চা-বাগান রয়েছে। দেশে প্রায় ১ লাখের বেশি শ্রমিক এই শিল্পের সাথে সরাসরি জড়িত, যাদের বেশিরভাগই নারী।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Utfal Barua

কমেন্ট বক্স
Logo
Logo
Logo
Logo
Logo
Logo
NEWS
ঘোষণা
দৈনিক ইনফোবাংলা বাংলাদেশের একটি স্থানীয় সংবাদপত্র, যা দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিদিনের সংবাদ পরিবেশন করে। আমাদের লক্ষ্য তথ্য নির্ভর, বিশ্বাসযোগ্য এবং বৈচিত্র্যময় সংবাদ প্রদানের মাধ্যমে পাঠকদের প্রয়োজন মেটানো/ • দৈনিক ইনফোবাংলা বাংলাদেশের একটি স্থানীয় সংবাদপত্র, যা দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিদিনের সংবাদ পরিবেশন করে। আমাদের লক্ষ্য তথ্য নির্ভর, বিশ্বাসযোগ্য এবং বৈচিত্র্যময় সংবাদ প্রদানের মাধ্যমে পাঠকদের প্রয়োজন মেটানো/ • দৈনিক ইনফোবাংলা বাংলাদেশের একটি স্থানীয় সংবাদপত্র, যা দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিদিনের সংবাদ পরিবেশন করে। আমাদের লক্ষ্য তথ্য নির্ভর, বিশ্বাসযোগ্য এবং বৈচিত্র্যময় সংবাদ প্রদানের মাধ্যমে পাঠকদের প্রয়োজন মেটানো/ • দৈনিক ইনফোবাংলা বাংলাদেশের একটি স্থানীয় সংবাদপত্র, যা দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিদিনের সংবাদ পরিবেশন করে। আমাদের লক্ষ্য তথ্য নির্ভর, বিশ্বাসযোগ্য এবং বৈচিত্র্যময় সংবাদ প্রদানের মাধ্যমে পাঠকদের প্রয়োজন মেটানো/ • দৈনিক ইনফোবাংলা বাংলাদেশের একটি স্থানীয় সংবাদপত্র, যা দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিদিনের সংবাদ পরিবেশন করে। আমাদের লক্ষ্য তথ্য নির্ভর, বিশ্বাসযোগ্য এবং বৈচিত্র্যময় সংবাদ প্রদানের মাধ্যমে পাঠকদের প্রয়োজন মেটানো/ • দৈনিক ইনফোবাংলা বাংলাদেশের একটি স্থানীয় সংবাদপত্র, যা দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিদিনের সংবাদ পরিবেশন করে। আমাদের লক্ষ্য তথ্য নির্ভর, বিশ্বাসযোগ্য এবং বৈচিত্র্যময় সংবাদ প্রদানের মাধ্যমে পাঠকদের প্রয়োজন মেটানো/ •
হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা -সিসিক প্রশাসক • রাউজানে বিজয়া দশমীতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ২৩৩ মন্ডপের প্রতিমা বিসর্জ্জন সম্পন্ন • চরপাথরঘাটায় নির্বাচনী প্রস্তুতি, সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় জামায়াত প্রার্থীর • ‘সব মানুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব’—কর্ণফুলীতে এমপি নিজাম • বৈরাগ ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই • ‘এমপি-পিএসের সুপারিশে নয়, নীতিমালা মেনেই নিয়োগ’—দাবি খাজা ট্রেডার্সের • রাউজানে রাস বিহারী ধাম মন্দিরে মরহুম আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের বস্ত্র ও গৃহ নির্মাণ সামগ্রী বিতরণ • সিলেটের মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন : পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক • রাঙ্গুনিয়ার বেতাগীতে ১০ পূজামণ্ডপে হুমাম কাদের চৌধুরী ও প্রবাসী নেতা ইসহাকের অর্থ বিতরণ • কর্ণফুলীতে দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, অসহায়দের পাশে সরওয়ার জামাল নিজাম • হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের অবসানই আমাদের প্রত্যাশা -সিসিক প্রশাসক • রাউজানে বিজয়া দশমীতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ২৩৩ মন্ডপের প্রতিমা বিসর্জ্জন সম্পন্ন • চরপাথরঘাটায় নির্বাচনী প্রস্তুতি, সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় জামায়াত প্রার্থীর • ‘সব মানুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব’—কর্ণফুলীতে এমপি নিজাম • বৈরাগ ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই • ‘এমপি-পিএসের সুপারিশে নয়, নীতিমালা মেনেই নিয়োগ’—দাবি খাজা ট্রেডার্সের • রাউজানে রাস বিহারী ধাম মন্দিরে মরহুম আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের বস্ত্র ও গৃহ নির্মাণ সামগ্রী বিতরণ • সিলেটের মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন : পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক • রাঙ্গুনিয়ার বেতাগীতে ১০ পূজামণ্ডপে হুমাম কাদের চৌধুরী ও প্রবাসী নেতা ইসহাকের অর্থ বিতরণ • কর্ণফুলীতে দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, অসহায়দের পাশে সরওয়ার জামাল নিজাম •